বাংলাদেশ তথা বিশ্বের অন্যতম নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। অথৈ নীল জলরাশি, সবুজে ঘেরা ঝাও বন, নীল আকাশ আর বালির সৈকত পর্যটকদের অনায়াসে বিমোহিত করে। যখন সূর্য অস্তমিত হয় তখন অথৈ নীল জলরাশি সূর্যকে অচিরেই গ্রাস করে নেয়। পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর দৃশ্যগুলোর মধ্যে একটি সমুদ্রজ্যোস্না। পূর্ণিমার রাতে যখন চাঁদের আলো সমুদ্রে প্রতিফলিত হয় তখন সমস্ত পৃথিবী ভেসে যায় জ্যোস্নার বন্যায়। বাংলাদেশ তথা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। কক্সবাজারের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য প্রতি বছর দেশ বিদেশ থেকে বহু পর্যটক ছুটে আছে। এই আটিকেলে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ গাইড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ভৌগোলিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগে কক্সবাজার জেলা অবস্থিত। মুঘল সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার আগে চট্টগ্রামসহ কক্সবাজার আরকান রাজ্যের অধিভুক্ত ছিল। তখন কক্সবাজারের নাম ছিল পালংকি। মুঘল সম্রাট শাহ সুজা আরকান যাওয়ার পথে এটি আবিষ্কার করেন এবং এখানে তাবু খাটিয়ে বিশ্রাম নিন এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন শাসকেরা কক্সবাজার শাসন করেছেন। মুঘলদের পরে কক্সবাজার শাসন করেন ত্রিপুরা। তারপর শাসন করেন আরকানরা, তারপর পর্তুগিজ। পর্তুগিজদের পরে ব্রিটিশ সরকার কক্সবাজারের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ১৭৭৩ সালে ওয়ারেন্ট হোস্টিং বাংলার গভর্নর হলে তৎকালীন পালংকি অঞ্চলে মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেন হিরাম কক্সকে। আরকান এবং রাখাইনদের মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরশনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তাই তারই নাম অনুসারে প্রথমে একটি বাজার তারপরে খানা তারপর পৌরসভার নামকরণ করা হয়। পরবর্তীতে এটা জেলার মর্যাদা পায়।
কক্সবাজারে উপজাতিসমূহ
কক্সবাজারে রাখাইন চঞ্চলা উপজাতির বসবাস রয়েছে। তাদের জীবনাচার ও সংস্কৃতি অনেক বৈচিত্র্যময়। উপজাতিরা অধিকাংশ হস্তশিল্প, পর্যটন ব্যবসা এবং কৃষি খাতের সাথে জড়িত। রাখাইন সম্প্রদায় তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন উপকরণ বার্মিজ বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। অনেকেই কৃষির সাথে জড়িত। কেউ কেউ লবণ চাষ করে আবার সমুদ্রে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। এছাড়াও তারা শুটকি, বার্মিজ আচার, হস্তশিল্প ও কসমেটিক্স স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করা। এরা বিভিন্ন উৎসব পালন করে থাকে। কক্সবাজার গেলে এসব উপজাতিদের বৈচিত্র্যময় জীবন চোথে পড়ে।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ঐতিহ্যবাহী খাবার
এ অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর মত খাবারেও রয়েছে বৈচিত্রতার ছোয়া। ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে রয়েছে মুন্ডি, চিকেন লাকসু, বাস কোড়ল, চা পাতা ভর্তা। সমুদ্র তীরবর্তী হওয়ায় এই অঞ্চলে বাহারি রকমের মাছ পাওয়া যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল লইট্যা ফ্রাই ও শুটকি ভুনা, ছুরি শুঁটকি ও হাঙ্গর শুঁটকির ভর্তা, রূপচাঁদা ও কোরাল ফ্রাই/কারি, হাইসসা। ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির মধ্যে রয়েছে মধু ভাত ও বলা পিঠা। ঐতিহ্যবাহী এসব খাবারের স্বাদ ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এসব খাবারের স্বাদ না নিলে কক্সবাজার ভ্রমণ বৃথা হয়ে যায়।
এসব ঐতিহ্যবাহী খাবার কোথায় পাবেন
কক্সবাজারে অথেনটিক রাখাইন ও পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিতে হলে বৌদ্ধ মন্দির রোডের বিখ্যাত Falong Zee রেস্তোরাঁয় যেতে পারেন। আর ঐতিহ্যবাহী সামুদ্রিক মাছ, ভর্তা ও শুঁটকির জন্য Al-Goni Restaurant কিংবা Poushi Bangla Restora বেশ জনপ্রিয়। এসব রেস্তোরাঁ গুলো খুবই বিশ্বস্ত। এখানে গেলে অথেন্টিক খাওয়া পাওয়ার সম্ভাবনা ১০০ পার্সেন্ট।
কক্সবাজারের দর্শনীয় স্থানসমূহ
কক্সবাজারের বহু দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এসব স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে। সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি রয়েছে পাহাড় ঝর্ণা একুরিয়াম সহ নানা দর্শনীয় স্থান।
লাবণী পয়েন্ট
কক্সবাজার কেন্দ্রীয় সমুদ্র সৈকত এটা। এখানে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী বার্মিজ মার্কেট।
সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট
কক্সবাজারের সবচাইতে সুন্দর ও দর্শনীয় বিচ এটা। এখানে সব সময় পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লেগে থাকে।
ইনানী সমুদ্রসৈকত
সমুদ্র সৈকতের রয়েছে পাথর আর প্রবল। কক্সবাজার শহর থেকে কিছুটা দূরে ইনানী সমুদ্র সৈকত অবস্থিত।
পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত
কক্সবাজারের দক্ষিণে অবস্থিত পাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকত। এখানে প্রবল প্রাচীরে ঘেরা সমুদ্র সৈকতের মনোরম দৃশ্য পর্যটকদের বিমোহিত করে। মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে এখানে যেতে হয়।

হিমছড়ি ঝর্ণা ও পাহাড়
বাজারের দক্ষিণে অবস্থিত হিমছড়ি ঝর্ণা ও পাহাড়। এখানে একই সাথে সমুদ্র পাহাড় ঝর্ণা দেখা যায়। পর্যটকদের কাছে একটি আকর্ষণীয় স্থান হিমছড়ি ঝর্ণা।
মেরিন ড্রাইভ রোড
কলাতলী থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা। এটা পাহাড় আর সমুদ্রের গা ঘেঁষে চলে গেছে।
মহেশখালী দ্বীপ
কক্সবাজারের একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান মহেশখালী দ্বীপ। এটি একটি পাহাড়ি দ্বিপ। এখানে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী আদিনাথ মন্দির।
ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক
ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক চকরিয়ায় অবস্থিত। এখানে রয়েছে অসংখ্য বন্যপ্রাণী। প্রাকৃতিক দৃশ্য ও বন্যপ্রাণীর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে যাবেন কিভাবে
বাংলাদেশের সব জায়গা থেকে সহজেই কক্সবাজার যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার তিনটি উপায় রয়েছে বাস ট্রেন আর প্লেন। ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো বাস। বাজারের উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে সর্বদা বাস যাতায়াত করে। সোহাগ, এস আলম পরিবহন, হানিফ, গ্রীন লাইন, সৌদিয়া পরিবহনগুলো প্রতিনিয়ত ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বাসের ধরন ভেদে এসি, ননএসি, স্লিপার ১০০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে। সময় লাগে সাত থেকে আট ঘন্টা।
ঢাকা থেকে সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়া যায়। কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়া জন্য কক্সবাজার এক্সপ্রেস বা পর্যটক এক্সপ্রেস প্রতিনিয়ত ঢাকা টু কক্সবাজার যাতায়াত করে। ট্রেনের সময়সূচি ও ভাড়া নিচে দেওয়া হল
- শোভন চেয়ার: ৬৯৫ – ৭৫৪ টাকা
- স্নিগ্ধা: ১,৩২৫ – ১,৪৪৩ টাকা
- এসি সিট: ১,৫৯০ টাকা
- এসি বার্থ / কেবিন: ২,৩৮০ – ২,৬৪৪ টাকা
ট্রেনসমূহ এবং সময়সূচি
- কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৩/৮১৪): ঢাকা থেকে রাত ১১:০০ টায় ছেড়ে কক্সবাজার পৌঁছায় সকাল ৭:২০ মিনিটে (সোমবার বন্ধ)।
- পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৫/৮১৬): ঢাকা থেকে ভোর ৬:১৫ মিনিটে ছেড়ে কক্সবাজার পৌঁছায় দুপুর ৩:০০ টায় ( বুধবার/রবিবার ভিন্ন নিয়মে চলে)।
এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি বিমানের কক্সবাজার যাওয়া যায়। বাংলাদেশের অনেকগুলো বিমান ঢাকা থেকে কক্সবাজার ফ্লাইট পরিচালনা করে। এক্ষেত্রে সময় লাগে ৫৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টা ১৫ মিনিট। বিমানের ভাড়া ও তালিকা নিচে দেওয়া হল
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স: ৫,৩৪৯ টাকা থেকে ১১,০০০ টাকা।
- ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স: প্রায় ৫,৩৯০ টাকা থেকে ১১,৫৫০ টাকা।
- নভোএয়ার: প্রায় ৪,৮৯৫ টাকা থেকে ১১,৫৫০ টাকা।
- এয়ার অ্যাস্ট্রা: প্রায় ৫,৪৫৩ টাকা থেকে ১০,৫৪৩ টাকা।
বিমানে কক্সবাজার যাওয়ার জন্য কোন ধরনের পাসপোর্টের প্রয়োজন নেই। শুধু এনআইডি বা জন্ম সনদ ছবি দিয়েই প্লেনে ভ্রমণ করা যাবে।
আবার চট্টগ্রাম থেকেও সরাসরি কক্সবাজার যাওয়া যায়। এজন্য চট্টগ্রাম বাস স্ট্যান্ড থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে সরাসরি বাস চলে। বাসের ভাড়া এসি নন এসি ভেদে ৪০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম থেকে প্রতিনিয়ত কক্সবাজার যায়। চট্টগ্রাম থেকে মাইক্রো বাসে করে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে থাকবেন কোথায়
কক্সবাজারে থাকার জন্য বহু আবাসিক হোটেল রয়েছে। বাংলাদেশের সবচাইতে বড় পর্যটন এলাকা কক্সবাজার। তাই এখানে দেশ-বিদেশ থেকে বহু পর্যটক ছুটে যায়। তাই এখানে থাকার জন্য বহু হোটেল মোটেল রয়েছে। পিক সিজনে হোটেল গুলোতে ভিড় লেগে থাকে। এজন্য এ সময় গেলে অবশ্যই আগে থেকে হোটেল বুকিং করে যেতে হবে। আর অন্য সময় গেলে দেখেশুনে হোটেল নিলেই চলবে। কিছু কিছু হোটেলের ভাড়া ও তালিকা দেওয়া হল
বাজেটের মধ্যে
মোটেল প্রবাল,লাইটহাউস রিট্রিট, ওয়েল পার্ক। ভাড়া ৮০০ থেকে ৩,০০০ টাকা প্রতি রাত। সাধারণ এসি/নন-এসি রুম, বিছানা, এটাচড বাথরুম।
মিড-রেঞ্জের মধ্যে
উইন্ডি টেরেস, গ্রেস কক্স, কল্লোল, ইলাফ ইন্টারন্যাশনাল। এ গুলোর ভাড়া ৩,০০০ থেকে ৭,০০০ টাকা প্রতি রাত। ভালো মানের এসি রুম, ফ্রি ওয়াইফাই, ব্রেকফাস্ট সুবিধা, লিফট ও রুম সার্ভিস রয়েছে।
প্রিমিয়াম বা ৪-স্টার হোটেল
Sayeman Beach Resort, সিগাল হোটেল, Shopnil Shindhu ইত্যাদি। এগুলোর ভাড়া ৬,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকা প্রতি রাত।সুইমিং পুল, জিম, রেস্তোরাঁ ও উন্নত সি-ভিউ বা পাহাড়ি ভিউ রুম সুবিধা রয়েছে।
৫-স্টার / লাক্সারি রিসোর্ট
র্যামাদা বাই উইন্ডহ্যাম, সায়েম্যান বিচ রিসোর্ট, সী পার্ল বিচ রিসোর্ট ইত্যাদি। এগুলোর ভাড়া ৮,০০০ থেকে ২,৫০,০০০ টাকা প্রতি রাত। প্রাইভেট বিচ অ্যাক্সেস, ইনফিনিটি পুল, স্পা, লাক্সারি স্যুট ও আন্তর্জাতিক মানের সেবা রয়েছে।
হোটেল গুলোতে অনেক সুবিধা রয়েছে তবে ভাড়া নেওয়ার আগে অবশ্যই কথা বলে চুক্তি করে নিতে হবে।পিক সিজনে গেলে আগে থেকেই বুকিং করে নিতে হবে ।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে খাবেন কোথায়
প্রতিটি আবাসিক হোটেলে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে চাইলে আপনি সেখানে খেতে পারবেন। এছাড়াও আপনি বাইরে বিভিন্ন হোটেলে খেতে পারবেন। হোটেলে মান ও খাবারের ধরন অনুযায়ী খাবারের দাম নির্ধারণ হয়। কক্সবাজারের সুস্বাদু ও সামুদ্রিক মাছের স্বাদ নিতে চাইলে আপনাকে এই হোটেলগুলোতে যেতে হবে। নিচের এই হোটেল গুলোতে পাবেন কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী সব খাবার গুলো
পউষী রেস্টুরেন্ট, ডলফিন মোড়
বিভিন্ন পদের ভর্তা, সামুদ্রিক মাছ ভাজা ও ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার পাওয়া যায়।
আল গণি রেস্টুরেন্ট, পুলিশ স্টেশন রোড
স্বল্প বাজেটে সুস্বাদু দেশি খাবার, গরুর কালো ভুনা ও হাঁস ভুনা পাওয়া যায়।
শালিক রেস্টুরেন্ট, ডলফিন মোড়
সুলভ মূল্যে সকালের নাস্তা এবং মানসম্মত দেশি খাবার পাওয়া যায়।
ঝাউবন রেস্টুরেন্ট
সামুদ্রিক মাছ ও রকমারি বাঙালি খাবার পাওয়া যায়।
এসব হোটেলগুলোতে খাওয়ার আগে অবশ্যই দাম জেনে খেতে বসবেন। ২০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে খাবার পাওয়া যায়।
সতর্কতা
যদি হোটেলে বা দিছে কোন সমস্যায় পড়েন তাহলে অবশ্যই টুইস পুলিশের শরণাপন্ন হবে অথবা ৯৯৯ এ কল করবেন। হোটেল বা রেস্টুরেন্টে খাওয়া ও রুম বুকিং এর আগে অবশ্যই ভালো করে চুক্তি করে নেবেন। এছাড়া দিছে ছবি তোলার জন্য ক্যামেরাম্যান এর সাথে চুক্তি করে নিবেন।
FAQ
১. কক্সবাজার ভ্রমণের সেরা সময় কোনটি?
নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস কক্সবাজার ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে ভালো।
২. কক্সবাজারের জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান কোনগুলো?
লাবণী বিচ, হিমছড়ি, ইনানী বিচ ও মেরিন ড্রাইভ জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান।
৩. কম খরচে কক্সবাজার ভ্রমণ করবেন কীভাবে?
বাজেট হোটেল, আগে থেকে টিকিট বুকিং ও স্থানীয় খাবার বেছে নিয়ে কম খরচে ভ্রমণ করা যায়।
৪. কক্সবাজার ভ্রমণে কত দিন থাকা ভালো?
প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরতে ২–৩ দিন থাকা ভালো।
৫. কক্সবাজারে সমুদ্রে নামার সময় কী সতর্কতা মানতে হবে?
লাইফগার্ডের নির্দেশনা মেনে চলুন এবং উত্তাল সমুদ্রে নামা থেকে বিরত থাকুন।


