কেওক্রাডং ভ্রমণ গাইড

কেওক্রাডং ভ্রমণ গাইড: ইতিহাস, যাওয়া ও খাওয়ার উপায়, খরচ ও ভ্রমণ টিপস

বাংলাদেশের অনিন্দ্য সুন্দর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং। কেওক্রাডংকে একসময় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসাবে ধরা হতো কিন্তু আধুনিক পরিমাপ যন্ত্র আবিষ্কারের ফলে এর থেকে উচ্চ পাহাড় বাংলাদেশে আবিষ্কৃত হয়েছে। কেওক্রাডংয়ের চূড়ায় মেঘের হাতছানি দিয়ে ডাকে। দুহাত বাড়ালেই ছোয়া যায় মেঘ। চিরহরিৎ পাহাড় আর মেঘের মিতালী পর্যটকদের অচিরেই বিমোহিত করে। আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা বয়ে চলেছে সাপের মত। কেওক্রাডংয়ের সৌন্দর্য শব্দ দিয়ে বর্ণনা করা যায় না। পাহাড়প্রেমীদের কাছে এ যেন রূপকথার স্বর্গরাজ্য। প্রকৃতি যখন শিল্পী হয়ে যায় তখন প্রতিটি সৃষ্ট একেকটি শিল্পকর্ম হয়ে যায়। তেমনি এক অসাধারণ শিল্পকর্ম কেওক্রাডং। এই নিবন্ধে কেওক্রাডং ভ্রমণ গাইড, কিভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন, খরচ এবং সকল বিষয় আলোচনা করা হল।

কেওক্রাডং ভ্রমণ গাইড

কেওক্রাডংয়ের অবস্থান

বাংলাদেশের বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভাগের বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলার রোমাক্রীপ্রাংসা ইউনিয়নে অবস্থিত। বান্দরবান থেকে কেওক্রাডংয়ের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার।  এবং রুমা উপজেলা থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার। বান্দরবান থেকে ৭০ কিলোমিটার পাহাড়ে আঁকাবাঁকা রাস্তা পাড়ি দিয়ে কেওক্রাডংয়ে যেতে হয়।

কেওক্রাডংয়ের ইতিহাস

মারমা ভাষার শব্দ কেওক্রাডং শব্দটি এসেছে। কেওক্রাডং শব্দের অর্থ সবচেয়ে উঁচু পাথরের পাহাড়। কেওক্রাডংয়ের পূর্ব পাকিস্তান আমলে আবিষ্কৃত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির পরে এটি আবিষ্কার করা হয়। সে সময়ে এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ হিসেবে সমাদৃত ছিল। পরবর্তীতে তাজিংডং পর্বতশৃঙ্খ আবিস্কার হয়ে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় পর্ব হিসেবে স্বীকৃতি পায়। কেওক্রাডংয়ের এর উচ্চতা ৯৮৬ মিটার বা ৩২৩৫ ফুট। 

১৯৮০ এর দশকে এটি পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় ভ্রমণ স্থান হয়ে ওঠে। তখন এই পাহাড়ে ওঠার একমাত্র উপায় ছিল পায়ে হেঁটে। বর্তমান সময়ে কেওক্রাডংয়ের চূড়া পর্যন্ত পিচঢালা রাস্তা হয়ে যাওয়ার কারণে চান্দের গাড়িতে করে সরাসরি কেওক্রাডংয়ে যাওয়া যায়। 

কেওক্রাডংয়ের জনজীবন ও সংস্কৃতি

কেওক্রাডংয়ের আশেপাশে রয়েছে বহু বহু আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস। এর মধ্যে রয়েছে বম, মারমা, ত্রিপুরা ও ম্রো। এদের জনজীবনে রয়েছে বহু বৈচিত্র্য।কেওক্রাডংয়ের পাশে রয়েছে দার্জিলিংপাড়া। দার্জিলিং পাড়ায় বসবাস করে এসব উপজাতি। তারা এই গ্রামটিকে বাংলাদেশের সবচাইতে পরিচ্ছন্ন গ্রাম এর তালিকায় শীর্ষে নিয়ে গেছে। আদিবাসীরা সাধারণত জুম চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে। তাদের উৎপাদনে প্রধান ফসল হলো ধান, ভুট্টা এবং বিভিন্ন শাকসবজি। তারা পশুপালন করেও জীবিকা নির্বাহ করে। এদের  প্রধান খাদ্য হলো ভাত এবং বিভিন্ন শাকসবজি।

কেওক্রাডংয়ের আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী খাবার

আদিবাসীদের খাবারের রয়েছে বহু বৈচিত্র। তেল ছাড়া বিশেষ ও ঐতিহ্যবাহী উপায়ে তারা খাবারগুলো রান্না করে থাকে। তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো হল মুন্ডি, বাঁশের চোঙায় রান্না, পাজন, তোহজা বা আপ্রেং, বাঁশকোড়ল বা মহ্ই। এসব খাবারে রয়েছে আলাদা পাহাড়ি স্বাদ। ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবার আদিবাসীদের নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। কেওক্রাডং গেলে এইসব খাবারের স্বাদ নেওয়া যায়।

See also  কাপ্তাই লেক-ইতিহাস, কোথায় অবস্থিত, কিভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন

কেওক্রাডং এর দর্শনীয় স্থানসমূহ

কেওক্রাডং যাওয়ার পথে অনেকগুলোই দর্শনীয় স্থান এর সাথে দেখা হয়। বান্দরবন থেকে কেওক্রাডংয়ের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। এই ৭০ কিলোমিটার পাহাড়ি রাস্তায় চোখে পড়ে উঁচু নিচু ছোট বড় পাহাড়, ঝর্ণা, আদিবাসী গ্রাম ও বহু দর্শনীয় স্থান। উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানসমূহ হল।

কেওক্রাডং ভ্রমণ গাইড

রুমা বাজার

বান্দরবান জেলায় রুমা উপজেলায় রুমা বাজার অবস্থিত। বান্দরবন থেকে রুমা বাজারের দূরত্ব প্রায় ৪৮ কিলোমিটার এবং কেওক্রাডং থেকে দূরত্ব ২২ কিলোমিটার। বগা লেকসহ আশেপাশে পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র বাজার রুমা বাজার। এখানে রয়েছে স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল। নানা কাজে আশেপাশের পার্বত্য অঞ্চলের মানুষেরা এখানে ছুটে আসে। এছাড়াও পর্যটকদের কেওক্রাডং যেতে গেলে রুমা বাজার থেকে ট্যুর গাইড সাথে করে নিয়ে যেতে হয়।

মুনলাই পাড়া

রুমা বাজার থেকে মুনলাই পাড়া দূরত্ব ৫ কিলোমিটার মুনলাই পাড়া দিয়ে বগালেকে যেতে হয়। বাংলাদেশের অন্যতম একটি পরিচ্ছন্ন গ্রাম এটি।এটি বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজমের একটি অনন্য মডেল। কেওক্রাডংয়ে যাওয়ার পথে মুনলাই পাড়ার সৌন্দর্য পর্যটকদের বিমোহিত করে। এখানে মূলত রয়েছে বম সম্প্রদায়ের মানুষের বাস।

বগা লেক

রুমা বাজার থেকে বগা লেকের দূরত্ব প্রায় ১৭ কিলোমিটার।এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতায় অবস্থিত লেক। এর উচ্চতা প্রায় ১,২৪৬ ফুট ৩৮০ মিটার। বগা লেকের  সৌন্দর্য  পর্যটকদের অচিরেই বিমোহিত করে। কেওক্রাডং যাওয়ার পথে এটি অন্যতম সেরা দর্শনীয় স্থান।

দার্জিলিং পাড়া

বগা লেকের পরেই কেওক্রাডং পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত দার্জিলিং পাড়া।এটি বম সম্প্রদায়ের একটি  পরিচ্ছন্ন গ্রাম। দার্জিলিংপাড়া কে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পরিচ্ছন্ন গ্রাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এখানে প্রতিটি ঘর স্বপ্নের মত করে সাজানো। কেওক্রাডং যাওয়ার পথে দার্জিলিং পাড়ার সৌন্দর্য পর্যটকদের বিমোহিত করে। এখানে না থামলে কেওক্রাডং ভ্রমণ বৃথা হয়ে যায়।

কেওক্রাডং ভ্রমণ গাইড

কেওক্রাডং যাওয়ার উপায়

কেওক্রাডং যেতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে বান্দরবান যেতে হবে। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে বান্দরবান যেতে হবে। বান্দরবান থেকে রুমা বাজার হয়ে কেওক্রাডং যেতে হবে। এক্ষেত্রে বান্দরবন থেকে সরাসরি গাড়ি রিজার্ভ করেও যাওয়া যায় আবার কেটে কেটেও যাওয়া যায়। কেওক্রাডং যাওয়ার সহজ উপায় গুলো নিচে তুলে ধরা হলো।

ঢাকা থেকে বান্দরবান

ঢাকা থেকে প্রতিনিয়ত বান্দরবান বাস চলাচল করে থাকে।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শ্যামলী, হানিফ, ডলফিন, সেন্টমার্টিন পরিবহন, এস আলম, সৌদিয়া। বাসগুলো প্রতিনিয়ত ঢাকা টু বান্দরবান যাওয়া আসা করে। এই বাসের ভাড়া এসি নন এসি ভেদে ৮০০ থেকে ১৮০০ টাকার মধ্যে। বান্দরবান যেতে ঢাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা সময় লাগে।

See also  কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ইতিহাস, দর্শনীয় স্থান, খরচ ও ভ্রমণ টিপস

ঢাকা থেকে ট্রেনে করেও চট্টগ্রাম দিয়ে বান্দরবান যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে প্রতিনিয়ত কয়েকটি ট্রেন ঢাকা টু চট্টগ্রাম যাওয়া আসা করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সোনার বাংলা, শুবর্ণ এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, পর্যাটক এক্সপ্রেস। ট্রেন ছাড়াও ঢাকা থেকে বিমানে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়। 

চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান

চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান যাওয়ার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো বাস। এছাড়াও প্রাইভেটকারে করেও বান্দরবান যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম নতুন ব্রিজ বাসস্ট্যান্ড থেকে বান্দরবানের উদ্দেশ্যে বাস যাতায়াত করে। এজন্য জনপ্রতি ভাড়া ১৫০ থেকে ২০০ টাকা এবং ২ ঘন্টা সময় লাগে। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে মাইক্রোবাসে করে বান্দরবান যাওয়া যায়।

বান্দরবান থেকে কেওক্রাডং 

বন্দরবান থেকে কেওক্রাডংয়ের দূরত্ব প্রায়  ৭০ কিলোমিটার। কেওক্রাডং যাওয়ার অনেকগুলো উপায় রয়েছে। তবে সবচাইতে সহজ উপায় হলো চান্দের গাড়িতে করে সরাসরি কেওক্রাডং যাওয়া যায়। সেক্দ ভাড়া পড়তে পারে ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকা । চান্দের গাড়িতে ১০ থেকে ১৫ জন যাওয়া যায়। 

দ্বিতীয় উপায়টি হলো বান্দরবান থেকে বাসে করে রুমা বাজার যাওয়া এবং রুমা থেকে ট্যুরগাইড নিয়ে কেওক্রাডং যাওয়া। লোকাল বাসে অথবা চান্দের গাড়িতেও রুমা বাজার যাওয়া যায়। বান্দরবান থেকে রুমা বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন সকাল সাতটা থেকে এক ঘন্টা পর পর রুমার উদ্দেশ্যে বাস যায়। এই বাসের ভাড়া ১৪০ টাকা এবং তিন ঘন্টার মত সময় লাগে।

যাওয়ার আগে অবশ্যই আইডি কার্ডের অনেকগুলো ফটোকপি করে নিয়ে যাবেন। রুমা বাজারে আগে রুমা জোন থেকে ৫০ টাকা এবং আইডি কার্ডের তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করে একটি কপি নিতে হবে। এরপর রুমা বাজারে গিয়ে গাইড সমিতির অফিস থেকে সেই ফরমটি দিয়ে গাইড ঠিক করতে হবে। গাইডের সাথে কথা বলে সবকিছু ঠিক করে নিতে হবে। গাইডের ভাড়া একদিনে যাওয়া আসা করলে ৮০০ টাকা, একরাত থাকলে ১৬০০ টাকা এবং যাওয়া আসা এবং দুই রাত থাকলে ২৪০০ টাকা।

রুমা বাজার থেকে জিপে/চান্দের গাড়ি করে অথবা মোটরসাইকেলে কেওক্রাডং যাওয়া যায়। চান্দের গাড়ি নিয়ে রুমা বাজার থেকে কেওক্রাডং যেতে ভাড়া ৫ হাজার টাকার মত। প্রতি রাত থাকলে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা বেশি দিতে হবে। মোটরসাইকেলে করে রুমা বাজার থেকে কেওক্রাডং যাওয়া আসার ভাড়া দুই হাজার টাকা।

কেওক্রাডংয়ে থাকবেন কোথায়

কেওক্রাডংয়ে থাকার সুব্যবস্থা রয়েছে। এর চূড়ায় একটি হোটেল রয়েছে। এই হোটেলের এক রুমের ভাড়া ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত। এক রুমে পাঁচ থেকে দশ জন থাকা যায়। কেওক্রাডংয়ে থাকার জন্য আগে থেকেই কথা বলে সবকিছু ঠিক করে রাখাই ভালো। এজন্য গাইড এর মাধ্যমে আগে থেকেই কথা বলে রাখতে হয়। 

See also  কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ইতিহাস, দর্শনীয় স্থান, খরচ ও ভ্রমণ টিপস

কোনো কারণে কেওক্রাডংয়ে কোটেজ না পেলে বগালেকে থাকতে পারেন। বগা লেকে থাকার জন্য আদিবাসী কটেজ রয়েছে। রাতে বগালেকে থেকে সকালে উঠে কেওক্রাডংয়ে যেতে হবে অথবা কেওক্রাডং থেকে ঘুরে এসে রাতে বগালেকে থাকা যেতে পারে। বগালেকে কটেজের ভাড়া কেওক্রাডংয়ে থেকে কম। এখানে রাতে থাকা সুব্যবস্থা রয়েছে।

কেওক্রাডংয়ে খাবেন কোথায়

এখানে থাকার সাথে খাওয়ারও সু-ব্যবস্থা রয়েছে। যাওয়ার আগে রুমা বাজার থেকে খেয়ে যেতে পারেন এছাড়াও পথে বহু আদিবাসী হোটেল ও দোকান রয়েছে। কেওক্রাডংয়ে চূড়ায় খাওয়ার জন্য একটি আদিবাসী হোটেল রয়েছে এখানে সাধারণত ১৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে খাওয়া যায়। পাহাড়ী জুম চালের ভাত দেশি মুরগি এবং বিভিন্ন তরকারি এখানে পাওয়া যায়।

এছাড়াও যদি বগা লেকে রাতে থাকেন তাহলে এখানেও খাওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে। এখানে কয়েকটি আদিবাসী হোটেল রয়েছে এগুলোতে অল্প টাকায় খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

কেওক্রাডংয়ে ভ্রমনটিপস ও সতর্কতা

  • যাওয়ার আগে অবশ্যই আইডি কার্ডের চার পাঁচটা ফটোকপি সাথে নিয়ে যাবেন
  • বান্দরবন থেকে কেওক্রাডং পর্যন্ত আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা। তাই যাওয়ার সময় বমিবমি বা মাথা ঘোরা ভাব হতে পারে এজন্য প্রয়োজনী ঔষধ সাথে করে নিয়ে যাবে।
  • কেওক্রাডং বা বগালেকে কোথাও বিদ্যুৎ নেই তাই অবশ্যই পাওয়ার ব্যাংক সাথে নিয়ে যাবেন
  • বগা লেকের গভীরতা অনেক বেশি তাই গোসল করার সময় অবশ্যই সতর্ক থাকুন
  • কেওক্রাডং এবং বগা লেকে টেলিটক এবং রবি ছাড়া অন্য কোন সিমে নেটওয়ার্ক পায়না তাই যাওয়ার আগে এই বিষয়টি মাথায় রাখবেন।

FAQ

১. কেওক্রাডং কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: কেওক্রাডং বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পাহাড়ি পর্যটনস্থান।

২. কেওক্রাডং ভ্রমণের সেরা সময় কোনটি?
উত্তর: সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কেওক্রাডং ভ্রমণের জন্য আরামদায়ক সময়।

৩. কেওক্রাডং যেতে কি গাইড প্রয়োজন?
উত্তর: পাহাড়ি পথ ও স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদিত গাইড নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে, তাই যাত্রার আগে বর্তমান নিয়ম জেনে নিন।

৪. কেওক্রাডং ভ্রমণে কী কী জিনিস সঙ্গে নিতে হবে?
উত্তর: ট্রেকিং জুতা, পানি, শুকনো খাবার, রেইনকোট, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা ভালো।

৫. কেওক্রাডং ভ্রমণে কত দিন সময় লাগে?
উত্তর: যাতায়াত, আবহাওয়া ও ট্রেকিংয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী সাধারণত ২–৩ দিন সময় রাখা ভালো।

 

আরো পড়ুন

Sohag
Sohag

আমি একজন ভ্রমণপ্রেমী ও ভ্রমণবিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা। দেশ-বিদেশের দর্শনীয় স্থান, ভ্রমণ গাইড, যাতায়াত, আবাসন ও প্রয়োজনীয় তথ্য নির্ভরযোগ্যভাবে পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই আমার লক্ষ্য।

Articles: 6